2.1.2 ডেটা কমিউনিকেশনের ধারণা (Concept of Data Communication)

কমিউনিকেশনকে কার্যকর করার জন্য ডেটা যোগাযোগ বা ডেটা কমিউনিকেশন করা হয়। এটি উৎস (প্রেরণকারী) এবং গ্রহণকারীর মধ্যে নিরাপদে সুষ্ঠভাবে ডেটা আদান-প্রদানের একটি ব্যবস্থা। 2.1 চিত্রে একটি ইলেকট্রনিক ডেটা কমিউনিকেশন পদ্ধতির গঠনটি দেখানো হয়েছে। –

এখানে দেখা যায় ডেটা কমিউনিকেশনের বিভিন্ন অংশগুলো ব্যবহার করে উৎস বা সোর্সের ডেটা (কোনো কন্ঠস্বর, ছবি বা বার্তা) একটি চ্যানেল দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে। এই প্রক্রিয়ায় একটি ট্রান্সমিটার বা প্রেরক যন্ত্র এবং রিসিভার বা প্রাপক যন্ত্রের প্রয়োজন হয়। সোর্স থেকে প্রাপ্ত ডেটাকে ট্রান্সমিটার প্রথমে ইলেকট্রিক বা আলোক সংকেতের রূপান্তর করে মিডিয়ামে পাঠায়। এরপর মিডিয়াম থেকে রিসিভার সিগন্যাল বা ডেটা গ্রহণ করে ডেসটিনেশন বা গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। (অপ্রত্যাশিত নয়েজ বা অন্য কারণে ডেটার বিকৃতি ঘটে থাকলে সেটি সংশোধনেরও ব্যবস্থা করা হয়।) –

কমিউনিকেশনের বিভিন্ন উপাদানগুলোর উদাহরণ: –
১. সোর্স: ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, কম্পিউটার কী-বোর্ড ইত্যাদি-
২. ট্রান্সমিটার: মডেম, রাউটার, টিভি স্টেশন, রেডিও স্টেশন, টেলিফোন ও মোবাইল ফোন কোম্পানির এক্সচেঞ্জ ইত্যাদি। –
৩. মিডিয়াম: টেলিফোন লাইন, ফাইবার অপটিক ক্যাবল, মাইক্রোওয়েভ ইত্যাদি-
৪. রিসিভার: মডেম, রাউটার, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ইত্যাদি-
৫. ডেসটিনেশন: কম্পিউটার, সার্ভার, টেলিফোন বা মোবাইল ফোন ইত্যাদি।-